Loading...

  • 26 Jul, 2026

ভিয়েতনামের ডা নাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের ‘রইদ’

ভিয়েতনামের ডা নাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের ‘রইদ’

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে আরও একটি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘রইদ’। ভিয়েতনামের চতুর্থ ডা নাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এর সমালোচক (ক্রিটিকস) বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত এই চলচ্চিত্র। গত ২৭ জুন শুরু হওয়া উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে শনিবার (৫ জুলাই) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হলে বাংলাদেশের ‘রইদ’ এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নির্বাচিত চলচ্চিত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই পুরস্কার অর্জন করায় সিনেমাটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পুরস্কার পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করেন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি তাকে গভীরভাবে সম্মানিত করেছে এবং উৎসব কর্তৃপক্ষ তাদের অঞ্চলের গল্পকে মূল্যায়ন করে ‘রইদ’কে নির্বাচিত করায় তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি জুরি বোর্ড, কলাকুশলী এবং দর্শকদের প্রতিও ধন্যবাদ জানান। এর আগে সিনেমাটি নেদারল্যান্ডসের মর্যাদাপূর্ণ রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-এর মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে জায়গা করে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছিল, যদিও সেখানে কোনো পুরস্কার জিততে পারেনি। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘রইদ’ বাংলাদেশের সমসাময়িক চলচ্চিত্রকে বিশ্বমঞ্চে নতুনভাবে তুলে ধরছে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘রইদ’ এখনো দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও বিশেষ প্রদর্শনীতেও সিনেমাটি অংশ নিচ্ছে। চলচ্চিত্রটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ এবং গাজী রাকায়েত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশীয় গল্প, সংস্কৃতি ও নির্মাণশৈলীকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ‘রইদ’-এর এই অর্জন নতুন প্রজন্মের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।