সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে। রোববার (৫ জুলাই) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন এই কমিটি সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার নীতিগত দিক পর্যালোচনা, কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক সুপারিশ প্রদানের দায়িত্ব পালন করবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনর্গঠিত কমিটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫-এর আওতাধীন বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সুপারিশ দেবে। এছাড়া অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও এই কমিটি পালন করবে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কমিটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ। সরকারের আশা, এই পুনর্গঠনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে, নীতিমালা বাস্তবায়ন আরও শক্তিশালী হবে এবং জনস্বার্থে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।