নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন এবং সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা বিচার দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উত্থাপিত বিচার দাবির বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায়ের ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এ বিষয়ে এখনই ব্যক্তিগতভাবে কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানরা সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি আশা করেন। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করছেন বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২টি প্রতিষ্ঠানের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সালাহউদ্দিন সরকার, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর চেয়ারম্যান এটিএম আবদুল বারী ড্যানী এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব মো. কামরুজ্জামান দুলালসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
রিজভীর বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মহলে চলমান আলোচনার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।