Loading...

  • 26 Jul, 2026

মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার পরিকল্পনা সরকারের, মেধাবীদের জন্য থাকবে স্কলারশিপ: প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার পরিকল্পনা সরকারের, মেধাবীদের জন্য থাকবে স্কলারশিপ: প্রধানমন্ত্রী

দেশে নারী শিক্ষার আরও বিস্তারের লক্ষ্যে মেয়েদের জন্য অনার্স (ডিগ্রি) পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নিতে চায়।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম কার্যদিবসে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সংসদের দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সরকার একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে চায়। অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার পাশাপাশি যারা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় আরও উৎসাহিত করা হবে।

অন্যদিকে, মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্যোগের কথাও জানান। তিনি বলেন, সরকার ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, দেশে প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য, প্রাথমিক শিক্ষা আরও আকর্ষণীয় করা এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও ঝরে পড়ার হার কমানো।

সরকারের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নারী শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।