Loading...

  • 09 Sep, 2026
সর্বশেষ

গ্যাসের সংকটে ক্ষুব্ধ সিএনজি চালকরা, ভালুকায় মহাসড়ক অবরোধ

গ্যাসের সংকটে ক্ষুব্ধ সিএনজি চালকরা, ভালুকায় মহাসড়ক অবরোধ

ময়মনসিংহের ভালুকায় সিএনজি পাম্পে গ্যাস না পেয়ে ক্ষোভে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভালুকা পৌর শহরের এসএনএস সিএনজি পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। চালকদের অভিযোগ, পাম্পে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তারা প্রয়োজনীয় গ্যাস পাচ্ছিলেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন চালক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, এসএনএস সিএনজি পাম্পে গ্যাস না পাওয়ায় চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সিএনজি চালক মহাসড়কের মাঝখানে একটি অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে অবরোধ করে রেখেছিলেন। পরে পুলিশ অটোরিকশাটি সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসএনএস সিএনজি পাম্পে গ্যাস না থাকার কারণেই চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। প্রায় আধা ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়।

সিএনজি চালকদের জন্য গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গ্যাসের সংকট দেখা দিলে চালকদের দীর্ঘ সময় পাম্পে অপেক্ষা করতে হয়। এতে একদিকে যেমন তাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, অন্যদিকে যাত্রী পরিবহন কমে যাওয়ায় দৈনিক আয়েও প্রভাব পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে পরিবহন খাতে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

এর আগে ময়মনসিংহ অঞ্চলেও সিএনজি সংকট নিয়ে চালকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। বিভিন্ন সময় ফিলিং স্টেশনের সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি এবং গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার অভিযোগ করেছেন চালকেরা। গ্যাস সংকটকে কেন্দ্র করে এর আগেও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চালকদের বিক্ষোভ ও অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।

গ্যাস সরবরাহে অনিয়ম বা সংকটের কারণে যাতে পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন পরিবহনসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে থাকা সিএনজি স্টেশনগুলোতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা গেলে চালকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনও নির্বিঘ্ন রাখা সম্ভব হবে।

এদিকে ভালুকার ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়ায় বড় ধরনের যানজট তৈরি হয়নি। বর্তমানে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।