Loading...

  • 26 Jul, 2026

বস্ত্রখাতের সংকট নিরসনে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আশাবাদ বিটিএমএর

বস্ত্রখাতের সংকট নিরসনে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আশাবাদ বিটিএমএর

দেশের বস্ত্রখাতের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

বৈঠক শেষে শওকত আজিজ রাসেল বলেন, দেশের বস্ত্রশিল্পের বেশিরভাগ সমস্যাই দীর্ঘদিনের এবং অতীতের কোনো সরকার এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। তবে বর্তমান সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিলেও বস্ত্রখাতের জটিল সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান করতে আনুমানিক দেড় বছর সময় লাগতে পারে। এ সময়ের মধ্যে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সময় দিতে উদ্যোক্তারা প্রস্তুত রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিটিএমএ সভাপতির ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ সংকট, ব্যাংক ঋণ, আর্থিক চাপ এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিসহ খাতটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করলে দেশের বস্ত্রশিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।

শওকত আজিজ আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে বস্ত্রখাতের জন্য ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। এছাড়া নবগঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠকে বসে খাতটির সমস্যা সমাধানে করণীয় নির্ধারণ করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে বন্ধ ও অর্ধ-বন্ধ অবস্থায় থাকা কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা সম্ভব হলে দ্রুত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে ডাম্পিং বা অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রতিযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরকারের ধারাবাহিক নীতি-সহায়তা, জ্বালানি সরবরাহের উন্নতি এবং আর্থিক সংকট নিরসনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানিমুখী এই শিল্পখাত নতুন করে গতি ফিরে পেতে পারে।