Loading...

  • 26 Jul, 2026

আল-আকসা প্রাঙ্গণে ১,৩০০-এর বেশি ইসরায়েলি প্রবেশ, উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

আল-আকসা প্রাঙ্গণে ১,৩০০-এর বেশি ইসরায়েলি প্রবেশ, উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইসরায়েলি পুলিশের নিরাপত্তায় তারা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন।

গভর্নরেটের দাবি, দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে ইসরায়েলি পুলিশ প্রায় ১৫০ জনের পৃথক দলে বসতি স্থাপনকারীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেয়। সেখানে তারা তালমুদিক ধর্মীয় আচার পালন, গান গাওয়া, উচ্চস্বরে প্রার্থনা এবং প্রাঙ্গণের পূর্বাংশে সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত (এপিক প্রোস্ট্রেশন) করেন।

একই সময়ে আল-আকসা মসজিদের প্রবেশপথ এবং জেরুজালেমের পুরোনো শহরজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অনেক ফিলিস্তিনি মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জেরুজালেম গভর্নরেট আরও দাবি করেছে, ফজরের নামাজে অল্পসংখ্যক মুসল্লি অংশ নিতে পেরেছিলেন এবং পরে কয়েকজন ফিলিস্তিনি মুসল্লির ওপর ইসরায়েলি পুলিশ হামলা চালায়।

আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ‘স্ট্যাটাস কো’ বা বিদ্যমান ব্যবস্থার অধীনে সেখানে মুসলিমদের নামাজ আদায়ের অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। অন্যদিকে, ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের কাছেও একই এলাকা অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রাচীন ইহুদি মন্দির ধ্বংসের স্মরণে পালিত টিশা বি'আব উপলক্ষে প্রতিবছর সেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করা হয়।

আল-আকসা প্রাঙ্গণকে ঘিরে অতীতেও বহুবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও জেরুজালেমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।