Loading...

  • 25 Aug, 2026
সর্বশেষ

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার

বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার আদালতে শুনানি শেষে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে মিলনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন সাবেক সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলনকে আদালতে হাজির করেন। পরে তাকে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার ও অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির এক দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এর আগে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশে ওই অভিযান চালানো হয়। এ সময় সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

মকবুল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় পরে মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৫৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে মো. আমিরুল আলম মিলনকে ৯৯ নম্বর আসামি করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে ওই হত্যা মামলায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এবার মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলাটি এখন তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা, ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা এবং অভিযোগের অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম ও তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া।