Loading...

  • 24 Aug, 2026
সর্বশেষ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন রুমিন ফারহানা

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন রুমিন ফারহানা

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, বর্তমান সময়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আরোপিত বিধিনিষেধের সঙ্গেও তার মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও সাবেক বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বর্তমান নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যমের পরিধি অনেক বিস্তৃত। প্রচলিত টেলিভিশন চ্যানেলের বাইরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তাই কোনো ব্যক্তির বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রচার থেকে বিরত রাখা বাস্তবে সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তাঁর ভাষায়, যদি সেই ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক না হয়ে থাকে, তাহলে একই ধরনের বিধিনিষেধ বর্তমানেও গণতন্ত্রের মানদণ্ডে প্রশ্নের মুখে পড়ে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নাগরিক এবং দেশের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় তাঁর ব্যক্তিগত ধারণা, শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে দেশে ফিরে আসতে পারেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে, এসব ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতার প্রতিফলন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের ছাত্রসংগঠনের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাবও এতে প্রকাশ পেয়েছে।

এদিকে, অনুষ্ঠানে তাঁকে প্রধান অতিথি করায় স্থানীয় বিএনপির একাংশ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সেই বাস্তবতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।