জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই জাদুঘর শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে দিনটি একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচ করবে। আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সাহসের ইতিহাসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ এটি।”
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়ে গুম, খুন ও দমন-পীড়নকে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার সময়ের বাস্তবতা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী শক্তি কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে মেনে নিতে পারেনি। তাই গণতন্ত্র রক্ষা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর একটি স্থায়ী অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।