Loading...

  • 24 Aug, 2026
সর্বশেষ

বছরের শেষেই দৃশ্যমান হতে পারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, আশা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

বছরের শেষেই দৃশ্যমান হতে পারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, আশা পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতে কীভাবে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। তার আশা, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও চলতি বছরের শেষ নাগাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে। এ প্রকল্প শুধু নদী ব্যবস্থাপনা নয়, কৃষি, সেচ, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্পের বিষয়ে তিনি জানান, পূর্ববর্তী সরকার প্রায় ১৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে পাঁচটি গ্রুপে কাজ শুরু করতে চাইলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে সেই জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভুক্তভোগী মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম করার চেষ্টা করা হবে।

পরিদর্শনের সময় তিস্তা নদীর তীরবর্তী ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকার ভয়াবহ নদীভাঙন প্রত্যক্ষ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের জীবন-জীবিকা ও সম্পদ রক্ষা করা। তিনি বলেন, "আমাদের সরকারের কমিটমেন্ট একটাই—আমরা চাই না কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর কিংবা এক ইঞ্চি জমিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাক।"

তিনি আরও জানান, নদীভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে সরকার।