Loading...

  • 24 Aug, 2026
সর্বশেষ

১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ পূর্ণতার পথে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ

১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ পূর্ণতার পথে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ

২০০৮ সালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের একটি ভবনে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করেছিল কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ (কমেক)। প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর পার হলেও এতদিন নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ টিচিং হাসপাতাল পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট ও হাসপাতাল সুবিধার ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা যেমন ব্যাহত হয়েছে, তেমনি কক্সবাজারের সাধারণ মানুষও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তবে এবার পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আবাসন, নার্সিং ডরমিটরি, স্টাফ কোয়ার্টার, কলেজ ভবন, মসজিদসহ মোট ২৬টি অবকাঠামোর নির্মাণকাজ একসঙ্গে এগিয়ে চলছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এসব স্থাপনা চালু হলে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল শিক্ষা ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

এতে কক্সবাজারের প্রায় ২৮ লাখ স্থানীয় বাসিন্দার পাশাপাশি প্রায় ১২ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিপুলসংখ্যক পর্যটকও উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর দৃশ্যমান অগ্রগতি

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৬ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তবে আর্থিক সংকটসহ নানা জটিলতায় দীর্ঘ সময় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুরু করা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে হাসপাতাল ভবনসহ আরও ২৬টি স্থাপনার নির্মাণকাজ শুরু হয়। গত এক বছরে কয়েকটি ভবন বহুতল পর্যন্ত উঠে গেছে। হাসপাতাল ভবনের প্রথম তলার কাঠামোও ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে নির্মাণাধীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্প এলাকায় নতুন করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভিত্তিপ্রস্তরটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নামে স্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন না হওয়া হাসপাতাল ভবনের প্রকল্পটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার অনুরোধে অনুমোদন দিয়েছে। এ কারণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ পাওয়া তার জন্য সৌভাগ্যের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১৮ বছরেও কাটেনি হাসপাতাল সংকট

২০০৮ সালে জেলা সদর হাসপাতালের একটি ভবনে অস্থায়ী ব্যবস্থায় যাত্রা শুরু করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ। পরে ২০১৭ সালে কলেজটি কক্সবাজার সদরের ঝিলংজার জানার ঘোনায় ৩৩ একর জায়গার স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়।

এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ১৮টি ব্যাচ পার করেছে এবং ১৪টি এমবিবিএস ব্যাচ ইতোমধ্যে বের হয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রতিবছর বাড়লেও শিক্ষক, আবাসন ও হাসপাতাল সংকট দীর্ঘদিন ধরে রয়ে গেছে।

নিজস্ব টিচিং হাসপাতাল না থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও প্রশিক্ষণের জন্য প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর হাসপাতালভিত্তিক অস্থায়ী টিচিং ক্যাম্পাসে যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিও বাড়ছে। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, শুধু যাতায়াতের কারণে বছরে প্রায় ৫৯৮ ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে।

রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম জেলা সদর হাসপাতাল

কক্সবাজার জেলায় প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জন্য জেলা সদরে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল। প্রতিদিন সেখানে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এবং ৭০০ থেকে ১ হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।

শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে হাসপাতালের মেঝে, করিডোর কিংবা সিঁড়ির পাশেও অবস্থান করতে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১২ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার বাড়তি চাপ।

জেলায় হেমাটোলজি, হেপাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, নিউরোমেডিসিন, নিউরোসার্জারি, এনআইসিইউসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিশেষায়িত চিকিৎসা বিভাগেরও ঘাটতি রয়েছে। বিশেষায়িত বার্ন ইউনিটের সুবিধাও নেই। ফলে জটিল রোগীদের অনেক সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিংবা ঢাকায় পাঠাতে হয়।

শত শত কিলোমিটার দূরত্ব, যাতায়াতের ঝুঁকি এবং চিকিৎসার বাড়তি ব্যয়ের কারণে অনেক রোগীর পক্ষে অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যার হাসপাতাল চালু হলে এসব সমস্যার বড় একটি অংশ কমে আসবে।

ব্যবহারিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা

মেডিকেল শিক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ব্যবহারিক ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) বিধি অনুযায়ী, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য টিচিং হাসপাতাল থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা বলছেন, তৃতীয় বর্ষ থেকে হাসপাতালের ওয়ার্ড ডিউটি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ শুরু হলেও তাদের নিজস্ব টিচিং হাসপাতাল নেই। দীর্ঘদিনের এই সংকটের কারণে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, আধুনিক মেডিকেল কলেজের নাম থাকলেও যাতায়াতের জন্য তাদের মাত্র দুটি সাধারণ বাস রয়েছে। শিক্ষক ও আবাসন সংকটও প্রকট। পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের অপেক্ষায় ইতোমধ্যে ১৪টি এমবিবিএস ব্যাচ কলেজ থেকে বের হয়ে গেছে।

একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাধারণত একাধিক বিশেষায়িত বিভাগ ও পর্যাপ্ত শয্যার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এতদিন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সেই সুবিধাগুলোর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো পায়নি।

শিক্ষক ও অবকাঠামো সংকটও দীর্ঘদিনের

কলেজে একজন অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ৮৯টি শিক্ষক পদ রয়েছে। তবে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ বিভিন্ন পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

অপ্রতুল শিক্ষক নিয়েও কলেজটি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় সাফল্য দেখিয়েছে। ১৪টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে থাকার কৃতিত্বও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

অন্যদিকে একাডেমিক ভবন ১০ তলা হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে ৬ তলা পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে। দুটি ছাত্রাবাসও ৬ তলা হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ৩ তলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। কক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের গণরুমে গাদাগাদি করে থাকতে হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, সদর হাসপাতালের অস্থায়ী টিচিং ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার পরিবেশও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় তৈরি হয়নি।

২৬টি স্থাপনায় বদলে যেতে পারে পুরো চিত্র

পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের পাশাপাশি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য আবাসন, নারী ও পুরুষ ইন্টার্ন ডরমিটরি, নার্সিং ডরমিটরি, অফিসার্স কোয়ার্টার, স্টাফ কোয়ার্টার, স্টুডেন্ট নার্সেস কোয়ার্টার, প্রিন্সিপাল ও ডিরেক্টর রেসিডেন্সসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব অবকাঠামো চালু হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এনজিওগ্রাম, ডায়ালাইসিস, আইসিইউ, সিসিইউসহ আধুনিক চিকিৎসাসেবা চালুর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে কক্সবাজারের মতো পর্যটননির্ভর জেলায় উন্নত জরুরি চিকিৎসা অবকাঠামো তৈরি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকরাও উপকৃত হবেন।

সংশ্লিষ্টদের আশাবাদ

কমেকের সংক্রামক রোগ ও ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাহান নাজির বলেন, কক্সবাজারে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সংকট দীর্ঘদিনের। এর সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাড়তি চিকিৎসা চাপ রয়েছে। ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মিত হলে চিকিৎসার জট কমার পাশাপাশি সেবার মানও বাড়বে এবং রোগীদের চট্টগ্রাম বা ঢাকায় পাঠানোর প্রয়োজন কমবে।

কক্সবাজার উন্নয়ন আন্দোলনের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ রুবেল বলেন, জেলা সদর হাসপাতালে স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও চিকিৎসাসেবা নিতে হয়। মাত্র ২৫০ শয্যার হাসপাতালের ওপর এত মানুষের চাপ অত্যন্ত বেশি। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন তাই এ অঞ্চলের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে।

স্থানীয় সমাজকর্মী তারেক আরমানের মতে, হাসপাতালটি চালু হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে যাওয়ার চাপ কমবে। পাশাপাশি সিসিইউ, আইসিইউ ও কিডনি ডায়ালাইসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাও স্থানীয়ভাবে পাওয়া সম্ভব হবে।

কমেকের সহযোগী অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. নুরুল আলম বলেন, ৫০০ শয্যার হাসপাতালটি শুধু মেডিকেল কলেজের জন্য নয়, পুরো কক্সবাজারবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অবকাঠামো।

কমেকের অধ্যক্ষ ডা. মুজিবুল হক জানান, কলেজে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের পর ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত ৪ লাখের বেশি আরটিপিসিআর পরীক্ষা হয়েছে। তার মতে, পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু হলে কক্সবাজারের চিকিৎসাসেবা আরও বহুলাংশে এগিয়ে যাবে।

২০২৮ সালের মধ্যে হাসপাতাল চালুর লক্ষ্য

গণপূর্ত বিভাগ কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ চৌধুরী জানান, ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ৫০০ বেডেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল অ্যান্ড এনসিলারি বিল্ডিং ইন যশোর, কক্সবাজার, পাবনা অ্যান্ড নোয়াখালী (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ১০ তলা হাসপাতাল ভবনের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২৫ সালের ২৯ জুন।

তিনি জানান, হাসপাতাল ভবনের পাইলিং কাজ শেষ হয়েছে এবং সব ব্লকেই দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রী হোস্টেলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, পুরুষ ও নারী ইন্টার্ন ডরমেটরি, ৬ তলা অফিসার্স কোয়ার্টার, স্টুডেন্ট নার্সেস কোয়ার্টার, স্টাফ ডরমেটরি, স্টাফ নার্সেস ডরমিটরি, প্রিন্সিপাল ও ডিরেক্টর রেসিডেন্স এবং স্টাফ কোয়ার্টারের কাজও চলছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ ২০২৮ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। অন্যান্য অবকাঠামোর কাজ ২০২৭ সালের বিভিন্ন সময়ে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

দেড় যুগের বেশি সময় ধরে অস্থায়ী টিচিং হাসপাতাল, শিক্ষক সংকট, আবাসন সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যে চলেছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ। তবে ৫০০ শয্যার হাসপাতালসহ ২৬টি অবকাঠামোর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান অগ্রগতিতে থাকায় দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এবার পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এর ফলে শুধু মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগই বাড়বে না, কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠী, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং পর্যটকদের জন্যও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথ সহজ হবে।