Loading...

  • 17 Oct, 2026
সর্বশেষ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্যসংবলিত ম্যুরাল সরিয়ে নেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। এ বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও খবর সামনে এলেও সরকারিভাবে ম্যুরালটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত একটি স্থান। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই স্থানেই পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। ঐতিহাসিক সেই ঘটনার স্মারক হিসেবে সেখানে আত্মসমর্পণের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থাপনা ও শিল্পকর্ম রয়েছে।

সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকা পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরিয়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য প্রকাশিত হলেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন, ম্যুরালটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ওই ম্যুরাল অপসারণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে ম্যুরালটি সরিয়ে নেওয়া হবে—এমন তথ্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অন্যতম। ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের সঙ্গে যুক্ত এই ঘটনাটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন স্থাপনা, স্মৃতিচিহ্ন ও শিল্পকর্ম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংস্কার, সংরক্ষণ ও পরিবর্তনের আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর বক্তব্যের মাধ্যমে ম্যুরাল অপসারণের বিষয়ে সরকারি অবস্থানও স্পষ্ট হয়েছে। অর্থাৎ, বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরিয়ে নেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ক্ষেত্রে সরকারি বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার কথা উঠে এসেছে।