Loading...

  • 17 Oct, 2026
সর্বশেষ

মিরপুরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’ দায়ী করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

মিরপুরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’ দায়ী করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংঘর্ষ, অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের ঘটনায় ‘ফ্যাসিজমের দোসরেরা’ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এসব ঘটনার পরও ফুটপাত উদ্ধারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে ওই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জন্য ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’ দায়ী করেন। এটি তার দেওয়া বক্তব্য ও অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে এ দাবির পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ বা তদন্তের তথ্য তিনি উপস্থাপন করেছেন কি না, তা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছিল ডিএনসিসি। অভিযান চলাকালে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানিয়েছেন, সংঘর্ষ, অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের কারণে ফুটপাত উদ্ধারের অভিযান বন্ধ করা হবে না। অর্থাৎ মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি করপোরেশন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে সিটি করপোরেশন। পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত স্থান দখলমুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। মিরপুর-১০ এলাকাতেও একই ধরনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অভিযান চালানো হচ্ছিল।

তবে অভিযানের সময় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এর আগে মিরপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। ফলে ওই ঘটনায় মাঠপর্যায়ের সমন্বয়ের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

মিরপুর-১০ এর ঘটনার পর ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে একদিকে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জন্য একটি পক্ষকে দায়ী করার অভিযোগ এসেছে, অন্যদিকে ফুটপাত উদ্ধারের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।